প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং
মহেশখালীর ধলঘাটাতে বন বিভাগের অভিযানে দখল মুক্ত হওয়া ভূমিতে বাইন গাছের চারা রোপন

মহেশখালীর ধলঘাটাতে বন বিভাগের অভিযানে দখল মুক্ত হওয়া ভূমিতে বাইন গাছের চারা রোপন।
আবদুর রহমান কক্সবাজার মহেশখালী থেকে
মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের দক্ষিণে হাঁসের চর এলাকায় প্যারাবন কেটে চিংড়ী ঘের তৈরির মহোৎসবে মেতেছিল ভূমিদস্যুরা। পরবর্তীতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম. এ. হাসানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় সহকারী বন সংরক্ষক (কক্সবাজার) শেখ আবুল কালাম আজাদ, গোরকঘাটা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: মনোয়ার হোসেন সঙ্গীয় সদস্যদের নিয়ে গত জুন হতে আগস্ট পর্যন্ত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বনভূমি দখল মুক্ত করে। শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর উক্ত অপদখল মুক্ত এলাকায় ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেম্বার ও অন্যান্য সদস্য সহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বাইন গাছের চারা রোপন করেছে মাতারবাড়ি বিট সহ গোরকঘাটা রেঞ্জের অন্যান্য বিটের সদস্যগণ।
ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে বারংবার হাঁসেরচর এলাকার প্যারাবন কেটে চিংড়ী ও লবণ মাঠ তৈরি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু গোরকঘাটা রেঞ্জ কর্তৃক নিয়মিত অভিযান ও দিবা-রাত্রি টহল প্রদানে উক্ত ঘটনাস্থলে পূর্বের অবস্থান ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভূমিদস্যুদের দলে ধলঘাটা, মাতারবাড়ী, কালারমারছড়া ও হোয়ানক কেন্দ্রিক একটি শক্ত সিন্ডিকেট জড়িত বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
গোরকঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, ধলঘাটার হাঁসেরচরে প্যারাবন কেটে অবৈধভাবে চিংড়ী ঘের তৈরি করতে চাওয়া চিহ্নিত ভূমি দস্যূদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে বেশ কয়েকটি মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রকৃতি ধ্বংস করে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও ঘটনাস্থল সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের হুমকি সৃষ্টিকারী এ সকল ভূমিদস্যুরা দেশ ও জাতির শত্রু। প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ হিসেবে চিহ্নিত প্যারাবন রক্ষায় স্থানীয়দের এগিয়ে আসা উচিত। কারণ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ তথা ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসে উপকূলকে রক্ষা করতে হলে প্যারাবনের নীরব ভূমিকা বা অবদান অনস্বীকার্য।
প্যারাবন কেটে ফেলা উক্ত এলাকায় বাইন চারা রোপণের মাধ্যমে আবারো উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী তৈরির চেষ্টা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে মহেশখালীর ধলঘাটাতে বন বিভাগের অভিযানে দখল মুক্ত হওয়া ভূমিতে বাইন গাছের চারা রোপন...
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ 69Bangla Tv