
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। এর ফলে নির্বাচন কমিশন ও হাইকোর্টের আগের সিদ্ধান্ত বহাল থাকল।
এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। আপিলে তিনি অভিযোগ করেন, ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির প্রার্থী।
গত ১৭ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে মঞ্জুরুল আহসানের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
ইসির এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান হাইকোর্টে রিট করেন। গত ২১ জানুয়ারি শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। পরে তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন।
৩০ জানুয়ারি লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ আদেশের জন্য ১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। রোববার সেই আদেশে লিভ টু আপিল খারিজ করা হয়।
আদালতে মঞ্জুরুল আহসানের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, মো. রুহুল কুদ্দুস ও আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন। অপরদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন ও মোহাম্মদ হোসেন এবং আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা।
রায় ঘোষণার পর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন বলেন, আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আদালতের আদেশে স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দীর্ঘদিনের চর্চার অবসান হলো। ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দল ঋণখেলাপি কিংবা দ্বৈত নাগরিকদের মনোনয়ন দিতে পারবে না।