প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিপুলসংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাবে এবং অন্যান্য উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকেও পর্যবেক্ষক আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ড. ইউনূস বলেন, “এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। এই নির্বাচন ভবিষ্যতে ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মান নির্ধারণ করবে। আমাদের সবাইকে আশাবাদী হতে হবে।”
এর জবাবে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যে পক্ষই বিজয়ী হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
সাক্ষাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি রপ্তানির ওপর শুল্ক হ্রাসের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক আরও কমানো সম্ভব হবে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাণিজ্য আলোচনায় অর্জিত অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কৃষি খাতের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
ড. ইউনূস কক্সবাজারে আশ্রিত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বাংলাদেশ আসিয়ান সদস্যপদ পেতে আগ্রহী এবং ইতোমধ্যে সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করেছে।
তিনি আরও জানান, গত ১৮ মাস ধরে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করতে তিনি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং আগামী সরকার এই উদ্যোগকে এগিয়ে নেবে বলে তিনি আশাবাদী।
বৈঠকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের ওপর আরোপিত সাম্প্রতিক মার্কিন ভিসা বিধিনিষেধ নিয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।
A H M Hafizul Bari