ঢাকা | বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রীয় নির্যাতন–গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 5, 2026 ইং
রাষ্ট্রীয় নির্যাতন–গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম ছবির ক্যাপশন: রাষ্ট্রীয় নির্যাতন–গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম
ad728
রাষ্ট্রীয় নির্যাতন–গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম 

রাষ্ট্রীয় নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে নির্যাতন, অন্যান্য নিষ্ঠুর–অমানবিক–অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪ (১)–এর বিষয়ে বাংলাদেশের দেওয়া ডিক্লারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।
গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এ ডিক্লারেশন (ঘোষণাপত্র) প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনটি ১৯৮৪ সালে গৃহীত হয়। বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এই কনভেনশন অনুসমর্থন করে। বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে কনভেনশনটিতে অনুসমর্থন দেয়।
কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন (সংরক্ষণী শর্ত) দিয়েছিল। এ শর্তের কারণে এত দিন রাষ্ট্রীয় নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের ফলে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন পাওয়ার পথ সুগম হলো। ফলে নির্যাতনের কারণে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
উপদেষ্টা পরিষদের মতে, এ সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বাড়বে। এটি বাংলাদেশের মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাবি ছিল।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : A H M Hafizul Bari

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত