ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সখিপুরে অবৈধ মজুদে ৫১৮০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার, দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে কারাদণ্ড

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 26, 2026 ইং
সখিপুরে অবৈধ মজুদে ৫১৮০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার, দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে কারাদণ্ড ছবির ক্যাপশন: সখিপুরে অবৈধ মজুদে ৫১৮০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার, দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে কারাদণ্ড
ad728
সখিপুরে অবৈধ মজুদে ৫১৮০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার, দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে কারাদণ্ড

মো: সাজিদ পিয়াল  জেলা প্রতিনিধি  টাঙ্গাইল 


 জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে অবৈধভাবে মজুদকৃত বিপুল পরিমাণ জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বুধবার অপরাহ্নে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স প্রসিকিউশন কর্মকর্তা এবং মেঘনা ডিপোর প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানকালে মোট ৫১৮০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে ৩৫১৬ লিটার ডিজেল এবং ১৬৬৪ লিটার পেট্রোল রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনের অনুকূলে ২৪ মার্চ দিবাগত রাতে ৪৫০০ লিটার পেট্রোল ও ৪৫০০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হলেও তা ২৫ মার্চ সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির কথা থাকলেও যথাযথভাবে বিতরণ করা হয়নি। তদন্তে প্রমাণ মেলে পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশন উক্ত জ্বালানি নিজস্ব স্টেশনে সংরক্ষণ না করে মেসার্স জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজকে অবৈধভাবে মজুদে সহায়তা করে। এ বিষয়ে মালিকের স্বীকারোক্তি ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এবং উদ্ধারকৃত মজুদের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ১৫০ জনের বেশি ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন যে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছে।এ সকল অপরাধের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনের মালিককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অন্যদিকে লাইসেন্সবিহীনভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিতরণ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয়ের অভিযোগে মেসার্স জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজের মালিককে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ১৬৬৪ লিটার পেট্রোলসহ মোট ৫১৮০ লিটার স্পট নিলামের মাধ্যমে সখিপুর উপজেলার বোয়ালী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনকে প্রদান করা হয় এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।সরকারি কর্মকর্তা পুলিশ সদস্য এবং মেঘনা ডিপোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে জ্বালানির পরিমাণ নিরূপণ, মূল্য নির্ধারণ এবং নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বিক্রয়লব্ধ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য কমিটিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : A H M Hafizul Bari

কমেন্ট বক্স
টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গ্রেপ্তা

টাঙ্গাইলে অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গ্রেপ্তা