ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রায় ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 30, 2026 ইং
ঈদযাত্রায় ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি ছবির ক্যাপশন: ঈদযাত্রায় ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
ad728
ঈদযাত্রায় ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে ৩৭৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৩৯৪ জন। আর আহত হয়েছেন ১ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে শুধু সড়কেই ৩৪৬টি দুর্ঘটনায় ৩৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে  আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্ঘটনার এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল। যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, চলমান ইরান-ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে গত ১৫ দিনে হতাহত বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনের তথ্য উপস্থাপন করেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার দিন ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ও ১ হাজার ৪৬ জন আহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হন। বিগত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮ দমশিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও আহত ২১ শতাংশ বেড়েছে।
একই সময়ে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ও ২২৩ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময়ে পঙ্গু হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২ হাজার ১৭৮ জন ভর্তি হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত, ১১৪ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ১২ শতাংশ, নিহতের ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রায়। যাত্রী কল্যাণ সমিতির বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনার শিকার মোট যানবাহনের ২৭ দশমিক ১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, ১৬ দশমিক ২২ শতাংশ বাস, ১৫ দশমিক ২৮ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা, ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস, ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২২ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, পুরোনো আমলা, আগের মাফিয়া নেতাদের অনুসারী বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের বর্তমান সরকার–সর্মথিত নেতাদের চাপে এবারও সড়ক–সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় যাত্রীদের পক্ষে কথা বলার মতো নাগরিক সমাজের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : A H M Hafizul Bari

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রুপগঞ্জে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বন্ধ ফিলিং স্টেশন পূনরায় চালু

রুপগঞ্জে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বন্ধ ফিলিং স্টেশন পূনরায় চালু