পার্বত্য মন্ত্রীকে জেলা পরিষদগুলো পুনর্গঠন সহ প্রাথমিক শিক্ষক দ্রুত নিয়োগের তাগিদ
॥ মিলটন বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান, এমপি, বলেছেন, আমারও সাংবাদিকতা পছন্দের বিষয় ছিল। রাজনৈতিক জীবনে আমি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞ। পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে আপনাদের সাথে আমিও থাকবো। প্রকল্পের অর্থ লোপাট হবে এটি মানতে রাজি নই। বুধবার (৪মার্চ) সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের এনেক্স ভবনে সকাল ১০ঘটিকায় আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শ্রী কংকন চাকমা, পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব, মোঃ রেজুয়ান খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা সহ দীপন তালুকদার, সভাপতি, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি, সাইফুল ইসলাম ভুট্টো, সাইফুল ইসলাম পনির সহসভাপতি ও এ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক। এসময় জনকল্যানে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, আনোয়ার আল হক, সাধারণ সম্পাদক, রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব, সুশীল প্রসাদ চাকমা, সভাপতি রিপোটার্স ইউনিটি, মিলটন বড়ুয়া, সম্পাদক ও প্রকাশক সাপ্তাহিক পাহাড়েরর সময় এবং সভাপতি, পার্বত্য সাংবাদিক ইউনিয়ন, নন্দন দেব নাথ (ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক) দৈনিক গিরিদর্পণ, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী সভাপতি, সাংবাদিক সমিতি সহ গণমাধ্যমকর্মীরা বিভিন্ন মতামত উপস্থাপন করেন।
এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয়ও কোন ছোট নয়, সংবেদনশীল অনেক কিছু বিষয় আছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও উন্নয়নের একটি ভরসা পার্বত্য মন্ত্রণালয়। আমি সবাইকে নিয়েই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবো। উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের অর্থ লোপাট হবে এটি মানতে রাজি নই। ৫ আগষ্টের পর দলের অনেকের বিরুদ্ধেও নানান বিষয়ে অভিযোগ ছিল সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। আমাদের দলের হলেও দূর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স থাকবো।
সাংবাদিকদের পরামর্শের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জেলা পরিষদের প্রকৌশল বিভাগের এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে। মিনি স্টেডিয়াম না করে এর অর্থ লুটের ও দূর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে তা ক্রীড়ামন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে শুধু দেশীয় পর্যটক নয় বিদেশী পর্যটকরাও যাতে আসেন সে নির্ভরতার কাজ করবো বলে উল্লেখ করা হয়। এসময় নির্বাচিত সরকারের অধীনেই জেলা পরিষদ পুনর্গঠন সহ প্রাথমিক শিক্ষক দ্রুত নিয়োগের জন্য মন্ত্রীকে তাগিদও দেওয়া হয়।
A H M Hafizul Bari